** গহিরা এ,জ়ে, ওয়াই, এম, এস,বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় এর ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য ধন্যবাদ **

গহিরা এ,জ়ে, ওয়াই, এম, এস,বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

 

একটি শিক্ষিত জনগোষ্ঠী তৈরীর মাধ্যমে সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধণ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে এবং বিদ্যালয় কেন্দ্রিক একটি সুশীল সমাজ গঠণের উদ্দেশ্যে নিবেদিত-প্রাণ ব্যক্তিবর্গ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন ।

 

প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস

 

কথিত আছে গহিরা মোবারক খাঁন খীল গ্রামের ধণাঢ্য ব্যবসায়ী মরহুম আব্দুল জব্বার চৌধুরী এলাকার সৎ নিষ্ঠাবাণ ও শিক্ষিত ব্যক্তিত্ত্ব আহম্মেদ কবির ও আহম্মেদ ছগির চৌধুরীর অনুপ্রেরণায় আব্দুল জব্বার ইয়ংমেন সোসাইটি নামের একটি সমাজ কল্যাণ প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন । পরবর্তী কালে উক্ত সমাজ কল্যাণ সংস্থানের উদ্যোক্তারা অত্রাঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা বিশেষ ভাবে উপলব্ধি করেন। শুরু হয় স্বপ্নকে বাস্তবায়নের কাজ । মরহুম আব্দুল জব্বার চৌধুরী প্রয়োজনীয় জমি দিতে সম্মত হন । জানা যায় গহিরা বিশ্বাস পাড়ার বীরেন্দ্র লাল বিশ্বাস বিদ্যালয়ের বাউণ্ডারী দেওয়াল ও মূল ফটক নির্মাণ করেন । উনাদের সাথে সহযোগীতায় ছিলেন ধীরেন্দ্র নাথ পালিত ।

১৯৩০ সালে চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি রোড়ের দক্ষিন পার্শ্বে প্রায় ০৩ একর জ়ায়গার উপর গড়ে উঠে গহিরা এ,জে,ওয়াই,এম,এস, মাল্টিল্যাটারেল ইনস্টিটিউশন নামের একটি  ইংরেজী উচ্চ বিদ্যালয়। মরহুম আহম্মেদ ছগীর চৌধুরী (বি এ, বি এল,) বিদ্যালয়ের প্রথম প্রধান শিক্ষক ছিলেন ।

এর পরের ইতিহাস হচ্ছে কেবল ই সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া ।

১৯৫০ থেকে ১৯৬৫ সালের মধ্যে গড়ে উঠে আধুনিক একাডেমিক ভবণ ।এইক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতাই ছিল অর্থের প্রধান উতস। পরবর্তীতে ১৯৯৪ ও ২০০৫ সালে সরকারী অর্থে ‘শিক্ষা ও প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্তাবধানে ০৮ কক্ষ বিশিষ্ট দ্বিতল একাডেমিক ভবণ নির্মাণের ফলে ছাত্র-ছাত্রীদের উন্নত পরিবেশে শিক্ষালাভের সুযোগ সম্প্রসারিত হয় । বিদ্যালয়ের পশ্চিম পার্শ্বে ০১ কক্ষবিশিষ্ট তিন তলা ভবণ নির্মাণ করা হয় ।

১৯৬৮ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলে ১০(দশ) জন ছাত্র বোর্ডের মেধা তালিকায় স্থান করে নেয়ায় বিদ্যালয়ের সুণাম ও ঐতিহ্য চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে । আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এই বিদ্যালয়ে শুভ পদার্পন করেছিলেন এবং বিদ্যালয় সম্পর্কে তিনি মন্তব্য করেছিলেন, “এই স্কুল ধূলায় তাজমহল”

জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান স্বাধীণতার পর এই বিদ্যালয়ের মাঠে এক জনসভায় ভাষণ দিয়েছিলেন । কালের স্বাক্ষী এইসব ঘটনাপুণজী পরবর্তী প্রজন্মকে সব সময় দায়বদ্ধতায় আবদ্ধ করেছে আরো উত্তরণের । আর সেই দায়বদ্ধতা থেকেই বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা , ছাত্র-ছাত্রী , অভিভাবক, স্থানীয় গণ্য-মাণ্য ব্যক্তিবর্গ বিদ্যালয়কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মিছিলে স্বতস্ফুর্ত ভাবে সামিল ।

দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় মান সম্মত শিক্ষার সুযোগ তৈরীর জন্য গড়ে উঠেছে বিজ্ঞান গবেষণাগার, পাঠাগার , কম্পিউটার ল্যাব । সহপাঠক্রমিক কার্যাবলী, স্কাউটিং ও গার্ল গাইডস , খেলাধুলা, ইত্যাদিতে বিদ্যালয়টি যথেষ্ট সুণামের অধিকারী হয়েছে।

আশা করা যায় ২০৩০ সালে শতবর্ষ পূর্তির দ্বারপ্রান্তে গিয়ে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম আরো এগিয়ে যাবে ।

 

প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি

 

১৯৩০ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন লাভের মধ্য দিয়ে বিদ্যালয়ের যাত্রা শুরূ হয় । বর্তমানে বিদ্যালয়টি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড ,চট্টগ্রামের আওতাধীন । ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত পাঁচটি(৫) শ্রেণির ১৩(তের) টি শাখায় শ্রেণি কার্যক্রম চলে । প্রতি বছর অনেক ছাত্র-ছাত্রী JSC ও  SSC পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে এবং কৃতিত্তের সাথে উত্তীর্ণ হয় ।